জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে সরকার: ভূমিমন্ত্রী

প্রতিনিধির ছবি

প্রতিনিধি: নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট

এলাকা: ডেস্ক

তথ্য বিবরণী

ভূমিমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ প্রণয়ন করেছে সরকার। এই ডেল্টা প্ল্যানের লক্ষ্য হলো পানি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি এবং পরিবেশগত স্থায়িত্ব বজায় রাখা। পরিকল্পনা মোতাবেক মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলার প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার।

তিনি আজ (শনিবার) সকালে খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ডিসিপ্লিন আয়োজিত পরিবেশের ওপর টাইম ফর ন্যাচার এন্ড ন্যাচারাল রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট শীর্ষক দুই দিনব্যাপী দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, জাতীয় পরিকল্পনা ও নীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে পরিবেশ বিজ্ঞান বিষয়ে শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন দেশের পরিবেশগত বাস্তুতন্ত্র, জীবিকা এবং অর্থনীতির মেরুদন্ড আর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এ বনের নিকটতম গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়। সে হিসেবে সুন্দরবন নিয়ে গবেষণার ক্ষেত্রে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে। এই সম্মেলন থেকে প্রাপ্ত সুপারিশমালা টেকসই স্থানীয় সমাধানগুলোর সাথে পরিবেশগত ও প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার প্রচেষ্টা এবং অনুশীলনকে উন্নত করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্লেনারি স্পিকার হিসেবে বক্তৃতা করেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আইনুন নিশাত। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা। প্যাট্রন হিসেবে বক্তৃতা করেন জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. আবুল কালাম আজাদ। স্বাগত বক্তৃতা করেন সম্মেলন আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব ও সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. আবদুল্লাহ হারুন চৌধুরী। ধন্যবাদ জানান সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ মুজিবুর রহমান।

দুই দিনব্যাপী সম্মেলনে ১২৮টি মোখিক প্রেজেন্টেশন, ৪৮টি পোস্টার প্রেজেন্টেশন, ৬টি কি-নোট পেপারসহ ১৮৩টি গবেষণা নিবন্ধ উপস্থাপন করা হবে। সম্মেলন শেষে একটি সুপারিশমালা প্রস্তুত করা হবে। এবারের সম্মেলনে বাংলাদেশ, ভারত, ভূটান, নেপাল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, পোল্যান্ড, ইতালি এবং জার্মানি থেকে ২৪৫ জন দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ, বিজ্ঞানী সশরীরে এবং ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন
প্রতিনিধির ছবি

প্রতিনিধি: নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

এলাকা: ডেস্ক

ডেমরা প্রেসক্লাব কর্তৃক আয়োজিত ইয়েস সমতট টাওয়ারের তৃতীয় তলায় ডেমরা প্রেস ক্লাবের সম্মেলন কক্ষে প্রায় ৩ শতাধিক দুস্তদের সম্মানে আসন্ন ঈদুল ফিতর উৎযাপন উপলক্ষে ঈদ উপহার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ, আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজধানীর ঐতিহ্যবাহি ও সুনামধন্য ডেমরা প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি প্রবীন সাংবাদিক নজরুল ইসলাম চৌধুরী। সভা সঞ্চালনা করেন ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ জার্নালিস্ট অর্গানাইজেশনের মহাসচিব ও দোয়েল টিভির বাংলাদেশ কান্ট্রি সিও মোঃ শামছুল আলম। সম্মানিত বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সফল সংগঠক অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রার প্রকাশক ও সম্পাদক অশোক ধর, মানবতাবাদী প্রবীন সাংবাদিক দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আকাশ, ডেমরা থানা বি.এন.পি সমন্বয়ক কমিটির আহবায়ক ও সদস্য সচিব ডেমরা মাটি ও মানুষের প্রিয় নেতা সেলিম রেজা চৌধুরী (সেলিম) ও আনিসুজ্জামান( জামান)। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ঐশ্বী বাংলা পত্রিকার সহকারী সম্পাদক সরওয়ার আরিফ, জাতীয়তাবাদী ছাত্র দলের সাবেক সভাপতি যুবদল নেতা আজিজুল হক আজিজ, ৬৬ নং ওয়ার্ড বি.এন.পি সভাপতি নূর হোসেন ভুঁইয়া। সম্পাদক অশোক ধর ও আনোয়ার হোসেন আকাশ তাদের বক্তব্যে সিয়াম সাধনের তাত্পর্য বর্ননা পূর্বক সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে সত্য সংবাদ চর্চা করার অনুরোধ করেন। জেল জুলুমের শিকার জননেতা সেলিম রেজা চৌধুরী (সেলিম) ও আনিসুজ্জামান (জামান)তাদের বক্তব্যে বি.এন.পির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের ঘোশিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের আলোকে সাংবাদিকদেরকে লেখা লেখির জন্য অনুরোধ করেন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ তথ্য ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান কবিতা ইসলাম ও পরিচালক তদন্ত রুমেল সরকার, ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিমল সরকার, এ.আর হানিফ, হোসেন মিয়া, শরিফ আহমেদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রাজিব হোসেন রাজু,ক্রিড়া সম্পাদক আজাদ হোসেন ও সাংবাদিক আজম ইকবাল।

ডেমরা প্রেসক্লাব কর্তৃক আয়োজিত দুস্তদের সম্মানে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ

প্রতিনিধির ছবি

প্রতিনিধি: নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট

এলাকা: ডেস্ক

বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশনের বক্তব্য কিডনি মানব দেহের অতি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। আমাদের শরীরে বিপাকের মাধ্যমে যে ময়লা ও দূষিত পদার্থ তৈরি হয় তা কিডনির মাধ্যমে প্রসাবের সাহায্যে বের হয়ে যায়। কিডনিকে সুস্থ সবল রাখা এবং কিডনি রোগীদের জন্য সাহায্য ও সমর্থনের আশীর্বাদ নিয়ে ২০০৬

সাল থেকে ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অফ নেফ্রলজি এবং ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন ফর কিডনি ফাউন্ডেশন এর যৌথ উদ্যোগে সারা পৃথিবীব্যাপী মার্চ মাসের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার কিডনি দিবস পালিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় কিডনির রোগ দ্রুত শনাক্তকরণ ও কিডনি রোগ প্রতিরোধের বার্তা নিয়ে আগামীকাল ১৩ ই মার্চ বৃহস্পতিবার সারা বাংলাদেশ ব্যাপি বিশ্ব কিডনি দিবস পালিত হবে। এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে, আপনার কিডনি কি সুস্থ? দ্রুত পরীক্ষা করুন, কিডনির স্বাস্থ্য সুরক্ষা
করুন।

বাংলাদেশে বর্তমানে কিডনি রোগীর সংখ্যাঃ
২০১৯ সালে প্রকাশিত আটটি স্টাডির সিস্টেমিক রিভিউ অনুযায়ী আমাদের দেশে কিডনি রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ২২.৪৮%। এর ভেতরে মহিলাদের প্রাধান্য বেশি প্রায় ২৫ শতাংশ এবং পুরুষ
২০%। ১৭ কোটি মানুষের এই দেশে এই তথ্য অনুযায়ী কিডনি রোগীর সংখ্যা প্রায় তিন কোটি ৮২ লক্ষ এবং দ্রুত হারে এ সংখ্যা বাড়ছে। বিভিন্ন গবেষণা অনুযায়ী গত ১ দশকে কিডনি রোগীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এই মহামারিতে প্রতি বছর ৩০ থেকে ৪০ হাজার রোগীর কিডনি বিকল হচ্ছে।
বর্তমানে বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার যে ক্ষমতা, সে অনুযায়ী আমরা এই নতুন রোগীদের ১৫ থেকে ২০% রোগীকে ট্রান্সপ্লান্ট ডায়ালাইসিস এবং অন্যান্য চিকিৎসা দিতে পারছি। তার মানে প্রায় ৮০ শতাংশ রোগী প্রয়োজনীয় চিকিৎসার অভাবে অথবা বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরণ করছে। শুধু যে বাংলাদেশে এই কিডনি রোগের সংখ্যা বাড়ছে তা নয়। সারা পৃথিবীব্যাপী বর্তমানে ৮৫ কোটির বেশি মানুষ ভুগছে। দুই যুগ আগে মানুষ মৃত্যুর কারণ হিসেবে কিডনি রোগ ছিল ২৭তম স্থানে। বর্তমানে
এটির স্থান অষ্টম এবং ২০৪০ সালে কিডনি রোগ মৃত্যুর কারণ হিসেবে পঞ্চম স্থান দখল করবে। কিডনি রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থাঃ কিডনি এর কার্যক্ষমতার উপর ভিত্তি করে কিডনি রোগকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়:
CKD Stage 1, 2, 3, 4, 5 এর মধ্যে stage 1-3 কিডনি রোগের চিকিৎসা পদ্ধতি হচ্ছে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও ওষুধ।
Stage 4-5 এর চিকিৎসা পদ্ধতি।

বিশ্ব কিডনি দিবস ২০২৫ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন